=========>সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি
১)উসমান ইবনে আফফান (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘তোমাদেরমধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই;
যে নিজে কুরআন শেখে ওঅপরকে শিক্ষা দেয়’’। (বুখারী ৫০২৭)
২)আয়েশা (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহা) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘‘কুরআনের (শুদ্ধভাবে পাঠকারী ও পানিরমত হিফযকারী পাকা) হাফেয
মহাসস্মমানিত পুণ্যবান লিপিকার(ফিরিশতাবর্গের) সঙ্গী হবে। আর যে ব্যক্তি (পাকা হিফয না থাকারকারনে) কুরআন পাঠে ‘ওঁ-ওঁ’করে এবং পড়তে কষ্টবোধ করে, তার জন্য
রয়েছে দুটি সওয়াব।” (একটি তেলায়ত ওদ্বিতীয়টি কষ্টের দরণ)। (বুখারী ৪৯৩৭,মুসলিম ৭৯৮)
৩)আবূ মূসা আশআরী (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘‘কুরআন পাঠকারী মুমিনের হচ্ছে ঠিক
কমলা লেবুর মত; যার ঘ্রাণ উওমএবং স্বাদও উওম।আর যে মুমিন কুরআন
পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক খেজুরের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ তো নেই,তবে স্বাদ মিষ্ট। (অন্যদিকে) কুরআন পাঠকারী মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধিময় (তুলসি) গাছের মত; যার
ঘ্রাণ উওম কিন্ত স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক মাকাল ফলের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ নেই, স্বাদও তিক্ত।’’ (বুখারী ৫০২০, মুসলিম ৭৯৭)
৪)নাওয়াস ইবনে সামআন (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘কুরআন ও
ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে।সূরা বাক্কারাহ ও সূরা আলে ইমরান তারআগে আগে থাকবে এবং তাদের
পাঠকারীদের সপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে। (মুসলিম ৮০৫)
৫)আবূ উমামাহ (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘তোমরা কুরআন
মাজীদ পাঠ করো। কেননা, কিয়ামতের
দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য
সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে’’। (মুসলিম ৮০৪)জুম্মা:
♥ আলহামদুলিল্লাহ … আরেকটি জুম্মা – সকল দিনের শ্রেষ্ঠ দিনটি আবার ঘুরে এসছে । আপনি কি এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন না ? এই দিনটিকে বৃথা নষ্ট হতে দেবেন না কারণ বহু ব
রকত ও ফজিলত নিহিত রয়েছে আজকের দিনটিতে ♥
নিম্নলিখিতি সুন্নাত গুলো আদায় করতে সচেষ্ট হন : !!►►
১) ফজরের সালাত জামাতে আদায় করুন (আল-বায়হাকী , সহী আল-আলবানি, ১১১৯)
২) সালাত আল-জুম্মার পূর্বের এবং পরের করণীয় ঃ-
➲ জুম্মার দিন গোসল করা (বুখারী এবং মুসলিম : # ১৯৫১ এবং # ৯৭৭)
➲ জুম্মার সালাতে শীঘ্র উপস্থিত হওয়া (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯২৯ এবং ১৯৬৪)
➲ পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন করা (আল-তিরমিজি, ৪৯৬)
➲ মনোযোগ সহকারে জুম্মার খুৎবা শোনা (আল-বুখারী ৯৩৪ এবং মুসলিম ৮৫১)
৩) জুম্মার দিন আপনার দুয়া কবুল হবার সেই মুহূর্তটির অনুসন্ধান করুন (বুখারী এবং মুসলিম : # ৯৩৫ এবং # ১৯৬৯)
৪) সূরা কাহাফ তিলাওয়াত (আল-হাকিম, ২/৩৯৯; আল-বায়হাকী, ৩/২৪৯)
৫) আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপর দুরদ পাঠ (ইবনে মাজাহ # ১০৮৫ , আবু দাউদ , # ১০৪৭)
=============>সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি
১)উসমান ইবনে আফফান (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘তোমাদেরমধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই;
যে নিজে কুরআন শেখে ওঅপরকে শিক্ষা দেয়’’। (বুখারী ৫০২৭)
২)আয়েশা (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহা) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘‘কুরআনের (শুদ্ধভাবে পাঠকারী ও পানিরমত হিফযকারী পাকা) হাফেয
মহাসস্মমানিত পুণ্যবান লিপিকার(ফিরিশতাবর্গের) সঙ্গী হবে। আর যে ব্যক্তি (পাকা হিফয না থাকারকারনে) কুরআন পাঠে ‘ওঁ-ওঁ’করে এবং পড়তে কষ্টবোধ করে, তার জন্য
রয়েছে দুটি সওয়াব।” (একটি তেলায়ত ওদ্বিতীয়টি কষ্টের দরণ)। (বুখারী ৪৯৩৭,মুসলিম ৭৯৮)
৩)আবূ মূসা আশআরী (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,‘‘কুরআন পাঠকারী মুমিনের হচ্ছে ঠিক
কমলা লেবুর মত; যার ঘ্রাণ উওমএবং স্বাদও উওম।আর যে মুমিন কুরআন
পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক খেজুরের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ তো নেই,তবে স্বাদ মিষ্ট। (অন্যদিকে) কুরআন পাঠকারী মুনাফিকের দৃষ্টান্ত হচ্ছে সুগন্ধিময় (তুলসি) গাছের মত; যার
ঘ্রাণ উওম কিন্ত স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফিক কুরআন পড়ে না তার উদাহরণ হচ্ছে ঠিক মাকাল ফলের মত; যার (উওম) ঘ্রাণ নেই, স্বাদও তিক্ত।’’ (বুখারী ৫০২০, মুসলিম ৭৯৭)
৪)নাওয়াস ইবনে সামআন (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘কুরআন ও
ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে।সূরা বাক্কারাহ ও সূরা ইমরান তারআগে আগে থাকবে এবং তাদের
পাঠকারীদের সপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে। (মুসলিম ৮০৫)
৫)আবূ উমামাহ (রাদি আল্লাহ তায়ালা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘তোমরা কুরআন
মাজীদ পাঠ করো। কেননা, কিয়ামতের
দিন কুরআন, তার পাঠকের জন্য
সুপারিশকারী হিসাবে আগমন করবে’’। (মুসলিম ৮০৪)
================>জুম’আর আদব:
১। জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল
করাকে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামঃ) ওয়াজিব করেছেন
(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)।
পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন
নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ। ২। জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা। (বুখারীঃ ৮৮০) ৩। মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮, বুখারীঃ৮৮৭,
ইঃফাঃ৮৪৩) ৪। গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারীঃ৮৮৩) ৫। উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭) ৬। মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা। (তিরমিযীঃ৫০৯,
ইবনে মাজাহঃ১১৩৬) ৭। মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারীঃ ৯৩৪,
মুসলিমঃ৮৫৭, আবু দাউদঃ১১১৩,
আহমাদঃ১/২৩০) ৮। আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারীঃ৮৮১, মুসলিমঃ৮৫০) ৯। পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। (আবু দাউদঃ ৩৪৫) ১০। জুম’আর দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর
২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান(দাহর)
(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারীঃ৮৯১,
মুসলিমঃ৮৭৯) ১১। সূরা জুম’আ ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা।
অথবা সূরা আলা ও
সূরা গাশিয়া দিয়ে জুম’আ আদায় করা।
(মুসলিমঃ৮৭৭, ৮৭৮) ১২। জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু
দাউদঃ ১০৪৭) ১৩। এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারীঃ ৯৩৫) ১৪। মুসুল্লীদের ফাঁক করে মসজিদে সামনের
দিকে এগিয়ে না যাওয়া।
(বুখারীঃ৯১০, ৮৮৩) ১৫। মুসুল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে আগানোর
চেষ্টা না করা। (আবু দাউদঃ ৩৪৩, ৩৪৭) ১৬। কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার
চেষ্টা না করা। (বুখারীঃ৯১১,
মুসলিমঃ২১৭৭, ২১৭৮) ১৭। খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তখনও
দু’রাকা’আত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’
সালাত আদায় করা ছাড়া না বসা।
(বুখারীঃ ৯৩০) ১৮। জুম’আর দিন জুম’আর পূর্বে মসজিদে জিকর বা কোন
শিক্ষামুলক হালকা না করা। অর্থাৎ
ভাগ ভাগ হয়ে, গোল গোল হয়ে না বসা,
যদিও এটা কোন শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান
হোক না কেন। (আবু দাউদঃ ১০৮৯) ১৯। কেউ কথা বললে ‘চুপ করুন’ এটুকুও না বলা। (নাসায়ীঃ ৭১৪,
বুখারীঃ ৯৩৪) ২০। মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেয়াজ, রসুন না খাওয়া ও
ধুমপান না করা। (বুখারীঃ ৮৫৩) ২১। ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা বদল করে বসা। (আবু
দাউদঃ ১১১৯) ২২। ইমামের খুৎবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা। (আবু
দাউদঃ ১১১০, ইবনে মাজাহঃ ১১৩৪) ২৩। খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা। জান্নাতে প্রবেশের
উপযুক্ত হলেও ইমাম
থেকে দূরে উপবেশনকারীরা বিলম্বে
জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু
দাউদঃ ১১০৮) ২৪। জুম’আর দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই
জুম’আর মধ্যবর্তী সময়কে আলোকিত
করে দেন। (হাকেমঃ ২/৩৬৮,
বায়হাকীঃ ৩/২৪৯) ২৫। জুম’আর আযান দেওয়া। অর্থাৎ ইমাম মিম্বরে বসার পর যে আযান
দেওয়া হয় তা।(বুখারীঃ ৯১২) ২৬।জুম’আর ফরজ নামাজ আদায়ের পর মসজিদে ৪ রাকা’আত সুন্নাত সালাত
আদায় করা। (বুখারীঃ ১৮২,
মুসলিমঃ ৮৮১, আবু দাউদঃ ১১৩০) ২৭। উযর ছাড়া একই গ্রাম ও মহল্লায় একাধিক জুম’আ চালু না করা। আর উযর
হল এলাকাটি খুব বড় হওয়া, বা প্রচুর
জনবসতি থাকা, বা মসজিদ দূরে হওয়া,
বা মসজিদে জায়গা না পাওয়া,
বা কোন ফিতনা ফাসাদের ভয় থাকা।
(মুগনি লিবনি কুদামাঃ ৩/২১২, ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহঃ ২৪/
২০৮) ২৮। ওজু ভেঙ্গে গেলে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া। অতঃপর আবার
ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করা। (আবু
দাউদঃ ১১১৪) ২৯। একান্ত উযর না থাকলে দুই পিলারে মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গায়
সালাত আদায় না করা।
(হাকেমঃ ১/১২৮) ৩০। সালাতের জন্য কোন একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট
করে না রাখা, যেখানে যখন
জায়গা পাওয়া যায় সেখানেই সালাত
আদায় করা (আবু দাউদঃ৮৬২)। অর্থাৎ
আগে থেকেই নামাজের
বিছানা বিছিয়ে জায়গা দখল করে না রাখা বরং যে আগে আসবে সেই
আগে বসবে। ৩১। কোন নামাজীর সামনে দিয়ে না হাঁটা অর্থাৎ
মুসুল্লী ও সুতরার
মধ্যবর্তী জায়গা দিয়ে না হাঁটা।
(বুখারীঃ৫১০) ৩২। এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোন কিছু না পড়া, যাতে অন্যের সালাত
ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন
ঘটে। (আবু দাউদঃ ১৩৩২) ৩৩। পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযীলত অন্তরে জাগরূক রাখা। ৩৪। হাঁটার আদব মেনে মসজিদে গমন করা। ৩৫। খুৎবার সময় খতীবের কোন কথার সাড়া দেওয়া বা তার প্রশ্নের জবাব
দানে শরীক হওয়া জায়েজ।
(বুখারীঃ ১০২৯, মুসলিমঃ ৮৯৭) ৩৬। হানাফী আলেমগন বলেছেন যে, ভিড় প্রচণ্ড হলে সামনের মুসুল্লীর
পিঠের উপর সিজদা দেওয়া জায়েজ
(আহমাদঃ১/৩২)। দরকার হলে পায়ের
উপর ও দিতে পারে (আর রাউদুল মুরবী) ৩৭। যেখানে জুম’আর ফরজ আদায় করেছে, উত্তম হল ঐ একই
স্থানে সুন্নাত না পড়া। অথবা কোন
কথা না বলে এখান
থেকে গিয়ে পরবর্তী সুন্নাত সালাত
আদায় করা। (মুসলিমঃ ৭১০,
বুখারীঃ ৮৪৮) ৩৮। ইমাম সাহেব মিম্বরে এসে হাজির হওয়ার পূর্ব
পর্যন্ত তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-
ইস্তিগফার ও কুরআন তিলাওয়াতে রত
থাকা।
===============>দরেস হাদীস
1)হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হও তখন পাত্রে হাত দেওয়ার আগে তিনবার হাত ধুয়ে নিবে। কেননা তোমাদের জানা নেই যে, ঘুমন্ত অবস্থায় হাত কোথায় কোথায় স্পর্শ করেছে।’
{সহীহ মুসলিমঃ ১/১৩৬}
2)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), জান্নাত সম্পর্কে আমাদের ধারণা দিন। কী দিয়ে জান্নাত নির্মিত হয়েছে? তিনি বললেন, তার দেয়ালের একটি করে ইট সোনা দিয়ে এবং আরেকটি ইট রুপা দিয়ে নির্মিত। তার সিমেন্ট হলো উন্নত মৃগনাভী, তার প্লাস্টার ইয়াকূত ও মোতি এবং তার মাটি ওয়ারছ (নামের সুগন্ধি) ও জাফরান। যারা এতে প্রবেশ করবে তারা অমর হবে; কখনো মারা যাবে না। সুখী হবে; অসুখী হবে না। তাদের যৌবন শীর্ণ হবে না। আর তাদের কাপড় ছিন্নভিন্ন করা হবে না। {মুসনাদ আহমদ : ৯৭৪৪; মুসনাদ দারেমী : ২৮৬৩}
3)হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি: আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন: হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে (ক্ষমা) চাইবে, তুমি যা করেছ তা আমি ক্ষমা করে দেব, আর আমি কোন কিছুর পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ্ যদি আকাশ সমান হয়ে যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী প্রমাণ গোনাহ্ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে দেখা কর, তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার সঙ্গে দেখা করবো।
{তিরমিযী , হাদিস নং-৩৫৪০}
4)হযরত আবু মুসা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন-সৎসঙ্গ আর অসৎ সঙ্গের উদাহরণ হচ্ছে মেশক বহনকারী আর আগুনের পাত্রে ফুঁকদানকারীর মত। মেশক বহনকারী হয় তোমাকে কিছু দান করবে কিংবা তুমি নিজে কিছু খরীদ করবে। আর যে ব্যক্তি আগুনের পাত্রে ফুঁক দেয় সে হয়তো তোমার কাপড় জ্বালিয়ে দিবে, অথবা ধোঁয়ার গন্ধ ছাড়া তুমি আর কিছুই পাবে না। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫২১৪, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৬৮৬০,
===============>দরেস েকারআন
১) “এরপর তোমাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গেলো।তখন তা পাথরসমূহের ন্যায় হয়, বরং তদোপেক্ষাও কঠিনতর এবং পাথর গুলোর মধ্যে তো কিছু এমনও আছে, যেগুলো থেকে নদিসমূহ প্রবাহিত হয় এবং কতেক এমনও রয়েছে,যেগুলো ফেটে যায়-তখন সেগুলো থেকে পানি নির্গত হয়; এবং কতেক এমনও আছে যেগুলো আল্লাহর ভয়ে গড়িয়ে পড়ে।এবং আল্লাহ তোমাদের কৃতকর্মগুলো সম্পর্কে অনবহিত নন।”{সূরা বাকারা, আয়াত ৭৪}
২)এবং তোমরা (নারীরা) জাহেলী জুগের মত তোমাদের সৌন্দর্য এবং অলংকার সমূহকে প্রদর্শন করো না।
(সূরাহ আল আহযাব-আয়াত :33)
৩)“তোমরা প্রতিপালককে মনে মনে সবিনয় ও সশংকচিত্তে অনুচ্চস্বরে প্রত্যুষে ও সন্ধ্যায় স্মরণ করবে এবং তুমি উদাসীন হবে না।”[সূরা আরাফ ২০৫]
৪)”আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্
তী। যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল গ্রহণ করে। সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে।”[সূরা ক্বাফ -১৬-১৮]
৫) হে হাবীব আপনি বলুন, হে আমার ঐ সকল বান্দা, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা। নিশ্চয় তিনি সব গু
ণাহ ক্ষমা করে দিবেন। কেননা তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। {সূরা যুমার, আয়াত ৫৩}
এর দ্বারা
===============>মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
আজ ১৭ ই নভেম্বর ২০১২ মাওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী । আবদুল হামিদ খান ভাসানী (ডিসেম্বর ১২, ১৮৮০-নভেম্বর ১৭, ১৯৭৬) বিংশশতকী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশা
য় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের ‘ওয়ালাকুমুসসালাম’ বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।”(উইকিপিডিয়া)
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা ও পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ।শেখ মুজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু ছিলেন মাওলানা ভাসানী।
================>সাগতম েহ মােহ মহররম
নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে, নতুন বছরের আগমনী বার্তা আপনাদের জীবনকে উদ্ভাসিত করুক।
দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ১৪৩৪ হিজরী আরবী নববর্ষের প্রথম মাস মাহে মুহরম আমাদের মাঝে ফিরে এল আর ইমানদার মুসলিম নর-নারীর চক্ষু অশ্রুতে ভরে গেল । কারবালার ইতিহাস এক রক্তাক্ত যে ইতিহাস পৃথিবীতে তার আগে কোনদিন রচিত হয় নাই এবং কিয়ামত পর্যন্ত হবে না । আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে যেন শোহাদায়ে কারবালা থেকে শিক্ষা নিয়ে জিবন গড়ার তৌফিক দেয় ।
মহান আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন- “েয ব্যিক্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর িনর্দেশ মান্য করেেছ, নিঃসন্দেহে সে আল্লাহর নির্দেশ মান্য করেছে । আর যে মুখ ফিরিয়ে, তবে আমি আপনাকে তাদের রক্ষার জন্য প্রেরণ করি নি ।”{সূরা নিসা, আয়াত-৮০}
এ মাসটি অত্যন্ত সম্মানিত মাস। এ মাসে যুদ্ধ বিগ্রহ কলহ বিবাদ নিষিদ্ধ।এ মাসের দশম তারিখটি বিভিন্ন কারনে গুরুত্বপূর্ণ।এ দিনটিকে মুসলিম বিশ্বে আশুরা নামে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে স্মরণ করা হয়ে থাকে।ইতিহাসে দেখা যায়,মানব জাতির সৃষ্টির শুরু থেকে বহু ঘটনা এই দিনে সংগঠিত হয়েছে।নিম্নে কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরা হলঃ
১.হযরত আদম আঃ,হাওয়া আঃ,ইব্রাহিম আঃ ও ঈসা আঃ জন্ম।
২.দুনিয়াতে হযরত আদম আঃ এর ফরিয়
াদ কবুল।
৩.হযরত ইয়াকুব আঃ সাথে হযরত ইউসুফ আঃ এর হারিয়ে যাওয়ার পর সাক্ষাত্।
৩.ফেরআউন ও তার সৈন্যদের নীলনদে ধ্বংস করে হযরত মূসা আঃ ও তার অনুসারীদের পরিত্রাণ।
৪.আল্লাহর সাথে হযরত মূসা আঃ এর কথোপকথনের সৌভাগ্য ও তাওরাত কিতাব লাভ।
৫.হযরত নূহ আঃ ও তার স্বীয় অনুগামীসহ মহাপ্লাবনের পর নৌকা হতে অবতরণ।
৬.হযরত ইদ্রিস আঃ ও হযরত ঈসা আঃ এর আসমানে আরোহণ।
রাসুল (দঃ) এর সাথে ঊম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজাতুল কুবরা (রাঃ) এর শাদীমুবারক।
৭.দুনিয়ার সৃষ্টি ও দুনিয়া ধ্বংসও হবে এই দিনে।
৮.হযরত ইমাম হোসাইন ও তার পরিবারের অনেকরই পাপিষ্ট এজিদ বাহিনীর হাতে কারবালার প্রান্তরে মর্মান্তিকভাবে শাহাদাত বরণ।
এবং আরো অনেক ইতিহাস বিখ্যাত ঘটনা এই আশুরার দিনে সংগঠিত হয়েছে।